Posts

Showing posts from June, 2023

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল রোমান সভ্যতার ইতিহাস

Image
রোমান সভ্যতা:- প্রাচীন রোমান সভ্যতা পৃথিবীর সমৃদ্ধতম প্রাচীন সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি যার প্রথম উত্থান ঘটে খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী র প্রথমভাগে ইতালীয় উপদ্বীপে । রোম শহরকে কেন্দ্র করে ভূমধ্যসাগরে র তীর বরাবর এই সভ্যতা বিকাশিত হতে থাকে, এবং কালক্রমে এটি প্রাচীন যুগের বৃহত্তম সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। এই সভ্যতার স্থায়ীত্ব ছিল প্রায় বারো শতক এবং দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় রোমান সভ্যতা একটি রাজতন্ত্র থেকে সম্ভ্রান্ত প্রজাতন্ত্র এবং পরবর্তীতে একটি একনায়কতন্ত্রী সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। যুদ্ধজয় এবং ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে এটি দক্ষিণ ইউরোপ, পশ্চিম ইউরোপ, এশিয়া মাইনর, উত্তর আফ্রিকা, উত্তর ইউরোপ এবং পূর্ব ইউরোপের একাংশকে এই শাসনাধীনের অন্তর্ভুক্ত করেছিল।                        মানচিত্রে রোমান সভ্যতার অবস্থান শুরুর দিকে রোমান সভ্যতা ছিল অনেকগুলো নগর রাষ্ট্রের সমষ্টি যা ছিল অনেকটা কনফেডারেশন প্রকৃতির। ইহা রোমান রিপাবলিক নামে পরিচিত। নির্বাচিত ও নির্ধারিত প্রতিনিধিদের পরামর্শে চলত রোমের শাসনব্যবস্থা। সেই যুগকে বলা হয়...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল গ্রিক সভ্যতার ইতিহাস

Image
  গ্রিস হলো ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র যা বলকান উপদ্বীপের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। এই দেশ পশ্চিমা বিশ্বের জ্ঞান বিজ্ঞানের সূতিকাগার এবং গণতন্ত্রের জন্মদায়ক স্থান হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ভৌগােলিক ও সাংস্কৃতিক কারণে গ্রিক সভ্যতার সাথে দুইটি সংস্কৃতি: একটি ‘ হেলেনিক ' (Hellenic) ও অপরটি ' হেলেনিষ্টিক ' (Hellenistic)-এর নাম জড়িয়ে আছে। গ্রিসের প্রধান শহর এথেন্সে প্রথম থেকেই যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তাকে বলা হয় হেলেনিক সংস্কৃতি। খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৭ অব্দ পর্যন্ত হেলেনিক সভ্যতার ধারা বজায় ছিল। এই সময় মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াকে কেন্দ্র করে গ্রিক সংস্কৃতি ও অগ্রিক (গ্রিক নয়) সংস্কৃতির সংমিশ্রণে এক নতুন সংস্কৃতির উৎপত্তি হয়, ইতিহাসে যে সংস্কৃতি পরিচিতি লাভ করে  হেলেনিস্টিক সংস্কৃতি নামে।                        মানচিত্রে গ্রিক সভ্যতার অবস্থান গ্রিসের রাজনীতি একটি সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব বহুদলীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতান্ত্রিক কাঠামো র দ্বারা সংঘটিত হয়। সরকার-প্রধান হলেন প্র...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল হিব্রু সভ্যতার ইতিহাস

Image
হিব্রু সভ্যতা:- মধ্য এশিয়া ও নিকট প্রাচ্যে র যেসব সভ্যতা আমাদের আধুনিক সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে তাদের মধ্যে হিব্রু সভ্যতা অন্যতম একটি। প্রাচীন মিশরীয় এবং মেসােপটেমীয় সভ্যতার পরবর্তীতে যারা প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল তারাই হিব্রু জাতি । হিব্রু সভ্যতা পূর্ববর্তী সভ্যতার অনেক কিছুকে আত্মস্থ করেছিল বটে, তবে হিব্রু সভ্যতার মৌলিক এবং নতুনত্ব কিছু সৃষ্টিও আছে। বিশেষ করে একেশ্বরবাদে র প্রবক্তা ইহুদীরা ধর্মে নৈতিকতা এবং পবিত্রতা রক্ষায় অধিক ভূমিকা পালন করে। হিব্রু শব্দটির উৎপত্তি হাবিরু বা খাবিরু থেকে, যার অর্থ দস্যু বা নিম্নমানের লোক। হিব্রুরা সেমেটিক জাতির অন্তর্ভুক্ত, এবং তারা ছিল মূলত যাযাবর শ্রেণির লোক। ঐতিহাসিকদের মতে, ১৮০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে প্রাচীন ফোরাত নদীর (ইউফ্রেটিস নদী) অপর পাড় থেকে যে মানবগােষ্ঠী বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে, তারাই হিব্রু জনগােষ্ঠী। হিব্রু সভ্যতার অনেক উপাদানই মিসরীয় ও ব্যবিলনীয় উৎস থেকে আহরিত।                         মানচিত্রে হিব্রু সভ্যতার অবস্থান হিব্রু জা...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল ফিনিশীয় সভ্যতার ইতিহাস

Image
ফিনিশীয় সভ্যতা:- খ্রিষ্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে লেবানন ও ভূ-মধ্যসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে গড়ে ওঠে ফিনিশীয় সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০-৬০০ অব্দের মধ্য এখানে আর্যরা  উন্নত সভ্যতা গড়ে তােলে।                      মানচিত্রে ফিনিশীয় সভ্যতার অবস্থান ইতিহাসের অধিকাংশ সময় ফিনিশীয় রাজনীতি ছিলো অনেকটা কনফেডারেশন  প্রকৃতির। সিডানে Tetramnestos , টায়ারে Mattan এবং আরাদোসে Marbalos; এই তিনজন শাসক মিলে একটি কনফেডারেশন গঠন করে। সিডনের গুরুত্ব ছিল খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ সাল পর্যন্ত। তারপর  টায়ারের আধিপত্য ক্রমশ বেড়ে যেতে থাকে। ওল্ড টেস্টামেন্টে টায়ারের রাজা হিরাম ও জেরুজালেমের হিব্রু রাজা দাউদে র মধ্যকার মিত্রতার কথা আছে। খ্রিস্টপূর্ব ৯৭০ সাল নাগাদ   সলোমন ক্ষমতায় এলে দক্ষিণের শহরগুলো ফিনিশীয়রা ফেরত পায়।  প্রত্যেকটি শহরের আলাদা প্রতিরক্ষা, সৈন্য ও নৌবহর ছিল। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে  তিউনিশিয়া , উতিকা , হাদ্রমেতাম ও অন্যান্য স্বাধীন অঞ্চল মিলিত হয়ে  কার্থেজ রাষ্ট্র (নগর রাষ্ট্র) সংগঠিত হয়।...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল সিন্ধু সভ্যতার ইতিহাস

Image
সিন্ধু সভ্যতা:- সিন্ধু সভ্যতা ছিল মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত সিন্ধু অববাহিকা । এই সভ্যতা প্রথমদিকে পাঞ্জাবের সিন্ধু অববাহিকায় বিস্তার লাভ করে, পরে তা প্রসারিত হয় ঘগ্গর-হকরা নদী উপত্যকা এবং গঙ্গা-যমুনা দোয়াব অঞ্চল পর্যন্ত। বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ, ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের পশ্চিমদিকের রাজ্যগুলি, দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তান এবং বালুচিস্তান প্রদেশের পূর্ব অংশ এই সভ্যতার অন্তর্গত। পূর্ণবর্ধিত সময়কালে এই সভ্যতা পরিচিত  হরপ্পা সভ্যতা নামে। হরপ্পা ছিল এই সভ্যতার প্রথম আবিষ্কৃত নগরগুলির মধ্যে অন্যতম একটি। ১৯২০-এর দশকে তদানীন্তন ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে এই শহরটি আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৯ সালে ও এই সভ্যতার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নসামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। মহেঞ্জোদাড়ো ছিল সিন্ধু সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র।                               মানচিত্রে সিন্ধু সভ্যতার বিস্তৃতি   সিন্ধু সভ্যতার জনগণের রাজনৈতিক জীবন ...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল অ্যাসিরীয় সভ্যতার ইতিহাস

Image
অ্যাসিরীয়ান সভ্যতার:- অ্যাসিরীয়া ছিল প্রাচীন নিকট প্রাচ্যের একটি প্রধান সেমিটিক রাজত্ব, সময়কাল অনুযায়ী  খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ অব্দ থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ৬০৫ অব্দ পর্যন্ত এর ভৌগোলিক অবস্থানের বদল হয়েছে, এবং এই সভ্যতা স্থায়ী হয়েছিল প্রারম্ভিক ব্রোঞ্জ যুগ থেকে শেষ লৌহ যুগ পর্যন্ত। উত্তর মেসোপটেমিয়ায় টাইগ্রিস নদী র তীরে কেন্দ্রীভূত অসিরীয়া বেশ কয়েকবার শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। প্রথম শামশি আদাদের রাজত্বকালে নিনেভা সরাসরি অ্যাসিরীয় শাসনের অধীনে চলে আসে। নিনেভা সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়েছিল নব্য-অ্যাসিরীয় যুগে, সম্রাট সেনাহেরিবের ( খ্রিষ্টপূর্ব ৭০৫ অব্দ – খ্রিষ্টপূর্ব ৬৮১ অব্দ ) আমলে। অ্যাসিরীয় সম্রাটদের মধ্যে তাকে অন্যতম জনপ্রিয় শাসক হিসেবে গণ্য করা হয়। অভ্যন্তরীণ প্রাচুর্য ও গুরুত্বের ভিত্তিতে তিনি  নিনেভা কে নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের রাজধানীর হিসেবে ঘোষণা করেন।                     মানচিত্রে অ্যাসিরীয় সভ্যতার বিস্তৃতি  বাইবেলে নিনেভা শহরকে অভিহিত করা হয়েছে সম্পূর্ণ পাপে কলুষিত এক শ...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল ব্যাবিলনীয় সভ্যতার ইতিহাস

Image
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:- ব্যাবিলন শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে “ বাব ইল ” শব্দ থেকে যার অর্থ- দেবতার নগর । আরব ঐতিহাসিকগণ এই উন্নত উপত্যকাভূমিকে সভ্যতার জন্মভূমি নামে অভিহিত করেছেন।  নৃপতি দুঙ্গীর মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে, সুমেরীয় সভ্যতা পতনের পর যে ইতিহাস প্রসিদ্ধ সভ্যতা তথা সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে; সেটিই ছিল ব্যাবিলনীয় সভ্যতা । কালক্রমে এই সভ্যতা সমগ্র দক্ষিণ মেসােপটেমিয়া পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে।  আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে সেমেটিক জাতির একটি শাখা টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস ( দজলা ও ফোরাত ) উপত্যকায় গমন করে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে সুমেরীয়দের কাছে গৃহ নির্মাণ, জলসেচ, লিখন পদ্ধতি প্রভৃতি সম্পর্কে প্রভূত জ্ঞান লাভ করে। অতঃপর কালক্রমে অ-সেমেটিক সুমেরীয় জাতি এবং সেমেটিক জাতির সংমিশ্রণে ব্যাবিলনীয় সভ্যতার উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ ঘটে।                      মানচিত্রে ব্যাবিলনীয় সভ্যতার বিস্তৃতি  গ্রিক, প্যালেস্টাইন ও ইটালির ন্যায় এই অঞ্চলটিও ছিল প্রাচীরবেষ্টিত অসংখ্য নগর, রাষ্ট্রের সমষ্টি। রাজ্যগুলাের মধ্যে ...

একনজরে জেনে নিন কেমন ছিল সুমেরীয় সভ্যতার ইতিহাস

Image
সুমেরীয় সভ্যতা:- আজকের যুগের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন সময়ের দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তীর উর্বর ভূমিতে সুমেরীয় সভ্যতা র উত্থান ঘটে। অর্থাৎ, এশিয়ার পশ্চিমাংশের মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে প্রথম যে সভ্যতা গড়ে উঠে সেটাই সুমেরীয় সভ্যতা, এই কারণেই সুমেরীয় সভ্যতাকে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার স্রষ্টা বলা হয়ে থাকে। সুমেরীয় সভ্যতা যেমন প্রাচীন, তেমনি এই সভ্যতার বৈশিষ্ট্য অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। উন্নত লিখন পদ্ধতি র আবিষ্কার এই সভ্যতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ অবদান।  প্রায় ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুমেরীয় সভ্যতার নাম অজানা ছিল । ১৮৩৪ সালে প্রত্মতাত্ত্বিক গবেষকরা সর্বপ্রথম এই সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন। অধ্যাপক ক্রামারে র নির্দেশে সর্বপ্রথম একদল প্রত্নতত্ত্ববিদ এই অঞ্চলের অধিবাসীদের সম্পর্কে প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করতে সচেষ্ট হন। গবেষণার দ্বারা ধারণা করা হয় ৫০০০ থেকে ৪০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে মেসোপটেমিয়ায় সুমেরীয়রা বসবাস করতো।                     মানচিত্রে সুমেরীয় সভ্যতার বিস্তৃতি  সুমেরীয় সভ্যতায় যুদ্ধবাদী রাজতান্ত্রিক শাসনতন্ত্র...

একনজরে জেনে নিন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার ইতিহাস

Image
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা:- মেসোপটেমিয়া বা সুমেরীয় সভ্যতাকে বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা বলে মনে করা হয়। মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর তীরে গঠিত হয়েছিল যা আজকের দিনে  ইরাক এবং কুয়েত নামে পরিচিত। ঐতিহাসিকরা বিশ্বাস করেন যে সুমেরীয়দের ভারত ও চীনের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বেশ ভালো ছিল। নগরীকৃত দক্ষিণ ভূমিকে বলা হত সুমের এবং আক্কাদ এবং ভূমির প্রথম পরিচিত ভাষা ছিল সুমেরিয়ান । এই ভাষা টি 2400 খ্রিস্টপূর্বাব্দে আক্কাদিয়ান ভাষাভাষীদের আগমনের সাথে ক্রমশ আক্কাদিয়ানদের দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।                   মানচিত্রে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবস্থান  বহিঃশত্রুদের আক্রমণ থেকে খুব একটা সুরক্ষিত ছিল না বলে বারবার মেসোপটেমিয়ায় সভ্যতা পরিবেষ্টিত অঞ্চলগুলির উপর আক্রমণ চলতে থাকে এবং পরবর্তীতে এই সভ্যতার ওপর ভিত্তি করেই ব্রোঞ্জ যুগে আরও বিভিন্ন সভ্যতা উৎপত্তি লাভ করে। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০ সাল নাগাদ মেসোপটেমিয়া পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল কিন্তু পরে এই ভূখন্ডের আধিপত্য নিয়ে রোমানদের সাথে যুদ্ধ হয় এবং রোমানর...

একনজরে জেনে নিন মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস

Image
মিশরীয় সভ্যতা:-  বর্তমানে উত্তর আফ্রিকার  দেশ মিশর যাকে বলা হয়, যা  প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি । আজ থেকে প্রায় ৬ হাজার বছর পূর্বে নীলনদের আববাহিকা য় মিশরীয় সভ্যতার উদ্ভব ঘটে। নীল নদের দান বলে খ্যাত মিশর ভৌগলিকভাবে দক্ষিণাঞ্চল (Upper) এবং উত্তরাঞ্চল (Lower) এই দুভাগে বিভক্ত। মিশরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নীলনদ ভূমধ্যসাগরে মিশেছে, ফলে মিশরের উভয় অঞ্চলে পলিমাটি জমে উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। এই সকল কারণে মিশরে নদীমাতৃক নগর সভ্যতা গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।                       মানচিত্রে মিশরীয় সভ্যতার অবস্থান  প্রাক-রাজবংশীয় যুগে নীল নদের অববাহিকায় মিশরীয় সভ্যতার সূচনা হয়। এ যুগে মিশরীয়রা কৃষিকাজে সেচব্যবস্থার বিভিন্ন পদ্ধতি আবিস্কার করে। এ ছাড়া তারা লিখন প্রক্রিয়া, উন্নতমানের কাপড় তৈরী, সৌরপঞ্জিকা প্রস্তুত করতে শেখে। তুতানখামেন (খ্রিস্টপূর্ব ১৩৪১ - ১৩২৩) ছিলেন মিশরীয় অষ্টদশ রাজবংশের ফারাও । ৩২০০ খ্রি. পূর্বাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রাচীন রাজত্বকাল। রাজা মেনেস উত্তর ও দক্ষিণ মিশরকে এক করে ...